![]() |
| মোবাইল থেকে রেশন কার্ডের e-KYC করতে প্রয়োজনীয় অ্যাপ ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য |
রেশন কার্ডের ই-কেওয়াইসি মোবাইল দিয়ে করতে গেলে কোন কোন অ্যাপ লাগবে
রেশন কার্ডের ই-কেওয়াইসি নিয়ে এখন অনেকেরই নানা রকম প্রশ্ন আছে। বিশেষ করে মোবাইল থেকে যদি রেশন কার্ডের ই-কেওয়াইসি করতে হয় তাহলে কোন কোন অ্যাপ ইন্সটল করতে হবে, কি তথ্য কাছে রাখতে হবে এগুলো নিয়ে কিন্তু আজকে আমাদের এই ব্লকটা, তবে সঠিক নিয়ম জানা এবং সরকারি মাধ্যম ব্যবহার করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
পশ্চিমবঙ্গ খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী রেশন কার্ডের সঙ্গে আধার সংযুক্ত করার জন্য ই কেওয়াইসি করা। আর যুক্ত করার একাধিক ব্যবস্থা আছে। নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে ই পজ যুক্ত রেশন দোকান, ফুড এন্ড সাপ্লাইজ ডিপার্টমেন্ট এর সরকারি ওয়েবসাইট, বাংলা সহায়ক কেন্দ্র অথবা সংশ্লিষ্ট এরিয়া ইন্সপেক্টরের অফিসের মাধ্যমে এই কাজ করা যায়।
সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে কেবল একটি অ্যাপ ডাউনলোড করলেই সবারই ই কেওয়াইসি হয়ে যাবে বিষয়টা এমন না। মোবাইলে কিছু দরকারি অ্যাপ বা পরিষেবা রাখা সুবিধা জনক হলেও ই-কেওয়াইসি পদ্ধতি নির্ভর করতে পারে আপনার রেশন কার্ড ও আঁধারের বর্তমান স্ট্যাটাসের উপরে।
রেশন কার্ডের ই-কেওয়াইসি কেন গুরুত্বপূর্ণ
এর মাধ্যমে রেশন কার্ডের সুবিধা ভুগীর পরিচয় যাচাই করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আধারের সঙ্গে রেশন কার্ডের সংযোগ করা হয়। সরকারি নির্দেশিকায় ই-কেওয়াইসি সম্পন্ন করার জন্য বিভিন্ন অথেন্টিকেশন পদ্ধতি কথা উল্লেখ করা আছে।
এই ই-কেওয়াইসি করতে আমাদের মোবাইলে কি কি অ্যাপ রাখা দরকার
চলে আসি এবার আসল বিষয়, আমাদের মোবাইলে একটা ভালো ওয়েব ব্রাউজার দরকার যেমন উদাহরণ হিসেবে আমি chrom browser ব্যবহার করি। দ্বিতীয়ত আঁধার সংক্রান্ত কোন তথ্য যাচাই করার প্রয়োজন হলে শুধুমাত্র ইউআইডিএআই-এর সরকারি পরিষদের ব্যবহার করাই নিরাপদ প্লে স্টোরে এরকম নামে অনেক অ্যাপ থাকতে পারে তাই কোন অচেনা অ্যাপ থেকে সেটিকে সরকারি app ধরে নেওয়া ঠিক হবে না। পর্যাপ্ত ইন্টারনেট কানেকশন থাকা দরকার। এক কথায় ইকেওয়াইসি করার জন্য অচেনা কোন এপিকে বা সন্দেহজনক অ্যাপ ডাউনলোড করার দরকার নেই।
মোবাইল থেকে কি রেশন কার্ডের ই-কেওয়াইসি করা যায়
কিছু ক্ষেত্রে সরকারি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ই-কেওয়াইসি বা আধার লিঙ্কিং এর ব্যবস্থা আছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ফুড এন্ড সাপ্লায়ার্স ডিপার্টমেন্ট এর নির্দেশিকাতেও ডিপার্টমেন্টাল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে করার কথা বলা আছে।
তবে প্রত্যেকের ক্ষেত্রে একই পদ্ধতি প্রযোজ্য নাও হতে পারে কারণ ই কেওয়াইসি এর সময় ফিঙ্গারপ্রিন্ট, আইরিশ বা মোবাইল otp মত অথেন্টিকেশন পদ্ধতির ব্যবহার হতে পারে। এসবের কোনটি কাজ না করলে নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও সরকারি নির্দেশিকাতে আছে। প্রয়োজন হলে রেশন দোকান বা সংশ্লিষ্ট সরকারি পরিষেবা কেন্দ্রে যেতে হতে পারে।
ই - কেওয়াইসি করার আগে কি কি কাছে রাখবেন
কাজ শুরু করার আগে কয়েকটি জিনিস হাতের কাছে রাখতে হবে যেমন রেশন কার্ডের তথ্য, আপনার রেশন কার্ড নাম্বার বা ডিজিটাল রেশন কার্ডের প্রয়োজনীয় তথ্য কাছে রাখুন।
আধার কার্ড টা সঙ্গে রাখতে হবে।
যে মোবাইল নাম্বার আধারের সঙ্গে যুক্ত, সেই মোবাইল নাম্বার তা সঙ্গে রাখতে হবে। কারণ OTP ভিত্তিক অথেন্টিকেশনের ক্ষেত্রে সুবিধা হবে। অবশেষে যেটা লাগবে সেটা হচ্ছে ভালো ইন্টারনেট কানেকশন।
কোনরকম সমস্যা দেখা দিলে এরিয়ার ইন্সপেক্টর এর অফিসে গিয়ে বিষয়টি জানাতে পারেন, প্রয়োজন অনুযায়ী বা কোন যদি ভুল থাকে নামের বানান বা কিছু ইত্যাদি সেক্ষেত্রে উপযুক্ত ব্যবস্থা ওই দপ্তর নেবে।
কোন বিষয়ে সাবধান থাকবেন
রেশন কার্ড এবং আধারের মতো গুরুত্বপূর্ণ নথি নিয়ে কাজ করার সময় নিরাপত্তার বিষয়টি সবসময় মাথায় রাখতে হবে। কেউ যদি আপনার রেশন বন্ধ হয়ে যাবে এমন কিছু বলে ওটিপি চায় কখনই অচেনা ব্যক্তিকে আঁধার সংক্রান্ত গোপন তথ্য দেবেন না বা ওটিপি শেয়ার করবেন না। কোন রকম whatsapp-এ বা কোন মাধ্যম দিয়ে পাওয়া এসএমএসলিংক এ ক্লিক করে নিজের তথ্য দেবেন না কাউকে।
শুধু সরকারি ফুড এন্ড সাপ্লাইস ডিপার্টমেন্টের ওয়েবসাইট বা অনুমোদিত পরিষেবা ব্যবহার করাই সবথেকে নিরাপদ। সরকারি ওয়েবসাইটে রেশন কার্ড সংক্রান্ত পরিষেবার পাশাপাশি অভিযোগ জানানোর ব্যবস্থাও থাকে।
ই-কেওয়াইসি না করতে পারলে কোথায় যেতে হবে
যদি মোবাইল থেকে কাজ করতে প্রবলেম হয় eKYC সম্পন্ন না হয়, সে ক্ষেত্রে ই-পজ যুক্ত রেশন দোকানে বা বাংলা সহায়ক কেন্দ্র বা সংশ্লিষ্ট এরিয়ার ইন্সপেক্টর এর অফিসে যোগাযোগ করতে হবে।
নিচের ভিডিওতে আমি আধার ফেস আর ডি এবং মেরা e কেওয়াইসি অ্যাপের মাধ্যমে দিয়ে স্টেপ বাই স্টেপ কেওয়াইসি করাটা দেখিয়ে দিলাম।
